“Когда мне говорили: “худеть легко” — я смеялась.
বিশ্বাসের সম্পর্ক যখন শুরু হয়, তখন আমরা কেউই ভাবি না একদিন সেই বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। সিনথিয়া ভেবেছিল – ভালোবাসা মানে নিরাপত্তা। তাই সে হয়তো একদিন নিজের ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি হতে দিয়েছিল প্রেমিকের কথায়, ভালোবাসার নামে।
কিন্তু ভালোবাসা যখন স্বার্থে বদলে যায়, তখন সেই ক্যামেরাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
একদিন হঠাৎই জানতে পারে—
তার সেই গোপন ভিডিও মোবাইল থেকে মুছে ফেলা হয়নি, বরং প্রেমিকের হাতে সেটি রয়ে গেছে। রাগ, অভিমান, প্রতিশোধ – কোন অনুভূতি থেকে, কেউ জানে না… কিন্তু সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলো ইন্টারনেটের এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্যটিতে।
তারপর কী হলো? বন্ধুরা মুখ ফিরিয়ে নিলো পরিবার স্তব্ধ, লজ্জা আর কষ্টে বাকরুদ্ধ সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজারো কটূক্তি অথচ দোষ ছিল না সিনথিয়ার… কেবল বিশ্বাস করেছিল ভুল মানুষকে কিন্তু এখানেই থেমে যায়নি সবকিছু। সিনথিয়া ভেঙে পড়েনি। সে নীরব থাকেনি।
আইন অনুযায়ী “ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়ানো সাইবার অপরাধ” — এই অভিযোগে সে সাইবার ক্রাইম বিভাগে মামলা করে। পাশে দাঁড়ায় পরিবার ও কিছু সাহসী বন্ধু।
ফলাফল?
অভিযুক্ত প্রেমিক গ্রেফতার ভিডিও সরাতে শুরু করে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলো সমাজ বুঝলো – নীরবতা নয়, প্রতিরোধই একমাত্র উপায়
If you are not redirected automatically, click here.
Comments
Post a Comment